Online News Bangla || সবার আগে সব খবর || Video || Photo || Latest online Bangla World News BD
Terkini Populer Kategori

পৃষ্ঠাসমূহ

Headline
Loading...

Technology

[Technology][recentbylabel]

Ads Auto

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০

রিজভী দেখছেন ত্রাণের জন্য হাহাকার


ক্ষমতাসীনদের আত্মাসাতের কারণেই নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে সারাদেশে ত্রাণ নিয়ে হাহাকার চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার রাজারবাগে ‘ফিউচার অব বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে ঘরে ঘরে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজকে সরকারি যে ত্রাণ, এই ত্রাণ আত্মসাৎ হয়ে যাচ্ছে। কাদের দ্বারা? এই সরকারি দলের লোকদের দ্বারা। হাহাকার করছে খুলনার রেল স্টেশনের শ্রমিকরা একটু ত্রাণের জন্য। “কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের নার্সরা খাবার পাচ্ছে না। অথচ ক্ষমতাসীন দলের লোকজনদের বাড়িতে চাল বোঝাই হয়ে যাচ্ছে। কার চাল? জনগণের চাল। তাদের টাকায় কেনা চাল।” সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে রিজভী বলেন, “যখন সকল মহল থেকে বলা হচ্ছে যে, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই মহামারী মোকাবিলা করতে হবে। তখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকার একগুঁয়েমি করছে। একতরফাভাবে কাজ করতে গিয়ে শুধুমাত্র নিজের দলের লোকজনদের পেট ভরানোর কাজটা গত ১০ বছর ধরে যেভাবে করেছে, এখন সেটাই করছে। “…এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। আমরা এখনও বলছি যে, জনগণের এই দুর্দশা লাঘব করার জন্য সকলকে একসাথে এগিয়ে এসে কাজ করতে হবে। আজকে যারা সরকার আছেন তাদের প্রধান দায়িত্ব এই কাজটা করার। অথচ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী তারা বলছেন ত্রাণ চুরি হচ্ছে না, চাল চুরি হচ্ছে না, আমরা ঠিক মতোই দিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিনই আপনারা গণমাধ্যম খুলে দেখবেন- শুধুমাত্র চাল চুরির ঘটনা, শুধুমাত্র ত্রাণ আত্মসাতের ঘটনা। আর ওদিকে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে একটু ত্রাণের আশায় দুঃস্থরা হাহাকার করছে।” করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি এখনও নেই উল্লেখ করে রিজভী বলেন, “আমরা দেখছি, স্বাস্থ্যকর্মী, যারা ডাক্তার তাদেরকে ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিভিন্ন অজুহাত তুলে এই ছাঁটাই করা হচ্ছে। অথচ ডাক্তারদের নিরাপত্তা বিধান করছেন না, নার্সদের নিরাপত্তা বিধান করছেন না। তারা খেতে পারছেন না।” এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ফিউচার অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শওকত আজিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজেদ বিন হাসান, কে জি সেলিম, সদস্য নাহিদ রহমান পুতুল, রবিকুল হাবিব প্রমুখ।

চিকিৎসকের মৃত্যু সঙ্কটের চিত্রটি তুলে ধরল: ওয়ার্কার্স পার্টি

চিকিৎসকের মৃত্যু সঙ্কটের চিত্রটি তুলে ধরল: ওয়ার্কার্স পার্টি


চিকিৎসকের মৃত্যু সঙ্কটের চিত্রটি তুলে ধরল: ওয়ার্কার্স পার্টি
নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকের মৃত্যু স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ‘সঙ্কটের চিত্রটি প্রকটভাবে তুলে ধরেছে’ বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। আওয়ামী লীগের জোট শরিক দলটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বুধবার এক বিবৃতিতে ওই চিকিৎসকের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে এ কথা বলেন। নভেল করোনাভাইরাসে প্রাণ হারানো ডা. মঈন উদ্দিননভেল করোনাভাইরাসে প্রাণ হারানো ডা. মঈন উদ্দিনবিবৃতিতে বলা হয়, “করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে চিকিৎসকরাই সামনের কাতারের যোদ্ধা। আমরা পূর্বাপর বলে এসেছি, পরিস্থিতি বিবেচনায় করোনাকালে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স, টেকনোলজিস্ট, অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ দায়িত্ব পালনরত সকলের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রী সরবরাহ করা আবশ্যিক বিষয়। “শুরু থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের অভাব ছিল। ওই চিকিৎসকের মৃত্যু সেই সংকটের চিত্রটিই প্রকটভাবে তুলে ধরল।” নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গত ৫ এপ্রিল থেকে সিলেট শহরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় নিজের বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন ওসমানি মেডিকেল কলেজের ওই সহকারী অধ্যাপক। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় ৭ এপ্রিল রাতে তাকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিলেটে এই হাসপাতালেই কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তার ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন পড়ে। পরদিন বিকালে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার সকাল পৌনে ৭টায় এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওসমানী মেডিকেলের এই চিকিৎসকই সিলেটে শনাক্ত হওয়া প্রথম কোভিড-১৯ রোগী। কীভাবে তিনি সংক্রমিত হলেন সে বিষয়ে কোনো তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশ করেনি। শোক বার্তায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই মহৎ চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। আর সেই সেবা দিতে গিয়েই তিনি মৃত্যুবরণ করলেন। তার এই আত্মত্যাগ দেশবাসী চিরদিন মনে রাখবে।”

১ ঘণ্টা পেটাল পুলিশ মাস্কের কারণে ছাত্রলীগ নেতাকে


১ ঘণ্টা পেটাল পুলিশ মাস্কের কারণে ছাত্রলীগ নেতাকে জানা গেছে, শেখহাটি ফাঁড়ির ইনচার্জ, সহকারী ইনচার্জ ও কয়েকজন পুলিশ মিলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মানিককে ধরে বেধড়ক পিটিয়েছেন।



বর্তমানে মানিক গুরুতর আহত অবস্থায় নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার বিচার দাবি করে শনিবার নড়াইলের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন আহত মানিকের মা লতিফা বেগম।
অভিযোগে জানা গেছে, তরিকুল ইসলাম মানিক ঢাকায় একটি কোম্পানিতে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিজ বাড়ি সদরের শেখহাটি গ্রামে চলে আসেন

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে তিনি কাঁচাবাজার করে ফিরে যাওয়ার পথে শেখহাটি বাজারের মধ্যে সাদা পোশাকে দাঁড়ানো শেখহাটি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই এনামুল তাকে মাস্ক না পরার অপরাধে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এবং মারতে মারতে ফাঁড়িতে নিয়ে যান।
ফাঁড়িতে নিয়ে এসআই এনামুল ও এএসআই আলমগীর ও কয়েকজন কনস্টেবল মিলে ঘণ্টাব্যাপী রুল দিয়ে পর্যায়ক্রমে তরিকুল ইসলাম মানিকের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পেটান। পরে ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ আলমগীরসহ তিন পুলিশ মানিককে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে নসিমনে সদর থানার ওসির কাছে আনলে তিনি এলাকায় গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে ছেড়ে দেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরিকুল ইসলাম মানিক শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, ফাঁড়ির পুলিশ একজনের মাধ্যমে প্রস্তাব দিয়েছিল বিষয়টি টাকা দিয়ে মীমাংসা করতে। কিন্তু আমি কোনো অন্যায় করিনি বিধায় কোনো আপসে যাইনি। বর্তমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।



এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চল শাহরিয়ার মীম বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় ছাত্রলীগর নেতাকে বেধড়ক মারপিটের ঘটনা নিন্দনীয়। ঘটনা তদন্তপূর্বক দোষিদের শাস্তির দাবি করি।
শেখহাটি বাজার কমিটির সভাপতি মনিরুল ইসলাম সরদার বলেন, ৬-৭ জন পুলিশ মানিকের মাস্ক না থাকার অভিযোগে ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করেছে। আমরা বাজার কমিটির লোকজন পুলিশের হাত-পা ধরলেও তারা কোনো কথা শোনেনি।
এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শেখহাটি ফাঁড়ি ইনচার্জ এনামুল বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আমরা দেখতে পাই তারেক নামে এক ব্যক্তি মাস্ক ছাড়া চলাচল করছেন। তাকে এ সব বিষয়ে পশ্ন করা হলে তিনি পুলিশের সঙ্গে বেয়াদবি করে। তাকে মারা হয়নি। সামান্য ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

নড়াইল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ড করোনায় ডাকসুর

শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ড করোনায় ডাকসুর

শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ড করোনায় ডাকসুর।
করোনা মহামারির কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অসহায়ত্বের মধ্যে রয়েছেন, তাঁদের সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীরা যেন সাময়িক বা অদূর ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা-সংকটে পতিত না হন, তা নিশ্চিত করতে ‘শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ড’ নামে একটি তহবিল গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। দেশের সামর্থ্যবান সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই তহবিলে অনুদান দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডাকসুর নেতারা।  আজ মঙ্গলবার ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সাদ্দাম হোসেন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানান।   কেউ ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে অনুদান দিতে চাইলে দুটি মাধ্যমে তা দিতে পারবেন। এগুলো হলো: ১. বিকাশ ও নগদ মার্চেন্ট নম্বর: ০১৭১২০৫৪০৪৫, ২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৩৩০০১৭৯২, সুইফট কোড-BSONBDDH, রাউটিং নম্বর-২০০২৭১৭৫০, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস করপোরেট শাখা, ঢাকা।  আর ডাকসুর এই তহবিল থেকে সহযোগিতা পেতে তিনটি উপায়ে আবেদন করতে পারবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এগুলো হলো: ১. ০১৭২৯৪৪৬২১৬, ০১৭৩৭৯১০৮৯৯, ০১৭১১৯২৮৭৪৯, ০১৫১৫২৯৩১৪০, ০১৭১৯৩৯৮৫৭৮, ০১৭০৩৬৩৪০০৩ এই নম্বরগুলোয় সরাসরি যোগাযোগ; ২. ফেসবুক গ্রুপ ‘করোনা: শিক্ষার্থী সহায়তায় ডাকসু’ থেকে গুগল ফরম পূরণ এবং ৩. ducsu_students.assistance@yahoo.com ঠিকানায় মেইল পাঠানো।  ডাকসুর ভিপি, জিএস ও এজিএসের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলা নববর্ষে চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখরিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। প্রতিবছর প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরে থাকা সেই প্রাঙ্গণ এবার জনশূন্য। বিষাদভরা শূন্যতা আমাদের হৃদয়েও। এই শূন্যতা আগামী বছর আমরা পূরণ করব সংখ্যায় বহুগুণ হয়ে, এই আত্মবিশ্বাস বুকে নিয়ে সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। ডাকসু মনে করে, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করব এবং প্রিয় প্রাঙ্গণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একত্রে সেই জয় উদ্‌যাপন করব।

বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায় ঘরে বসে অনলাইনে দেখুন



বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায় ঘরে বসে অনলাইনে।
ইন্টারনেট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের ক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। জেনে নিন এসব সম্পর্কে:

ফ্রিল্যান্সিং


অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়।
কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয়, যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। মনে রাখতে হবে, কাজ শেষ করার পর কাজদাতার অনুমোদন পেলেই তবেই অর্থ ছাড় দেবেন তিনি। এ ক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিতে পারেন। গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারকে। বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আনা যায়।

নিজের ওয়েবসাইট তৈরি
এখন নিজের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য অনলাইনেই অনেক উপাদান পাওয়া যায়। এর মধ্যে ডোমেইন নির্বাচন, টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট তৈরির নকশা প্রভৃতি। যখন পাঠক বা দর্শককে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কনটেন্ট সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি সারা, তখন গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন যখন সাইটে দেখানো শুরু হবে এবং তাতে ক্লিক পড়বে, তখন আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। যখন ওয়েবসাইট বা ব্লগ চালু হবে, তখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিংক তাতে যুক্ত করতে পারবেন। যখন আপনার সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেন, তখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে।

গ্রাফিকস ডিজাইন
অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন ভালো উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষ, তাঁরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাঁদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও গ্রাফিকস ডিজাইনারদের অনেক চাহিদা রয়েছে।

জরিপ, সার্চ ও রিভিউ
অনলাইন জরিপে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট জরিপে অংশ নিলে অর্থ দেয়। এ ছাড়া অনলাইন সার্চ ও পণ্যের পর্যালোচনা লিখে আয় করতে পারেন। তবে, এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া লাগতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে কাজ করার সময় সতর্কভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে কাজের সময় কোনটি প্রকৃত কাজ আর কোনটি স্ক্যাম—যাচাই-বাছাই করে নিয়ে কাজ করতে পারেন।

ভার্চ্যুয়াল সহকারী
এখন ভার্চ্যুয়াল সহকারীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। ঘণ্টাপ্রতি আয়ও বেশি। বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এখন। ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেই চালানো যায়। বিভিন্ন দক্ষতার ভিত্তিতে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফোন কল, ই-মেইল যোগাযোগ, ইন্টারনাল রিসার্চ, ডেটা এন্ট্রি, এডিটিং, রাইটিং, ব্লগ, গ্রাফিকস, টেক সাপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার মতো কাজ থাকে। ২৪ / ৭ ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যাচ, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, পিপল পার আওয়ার, আপওয়ার্কের মতো সাইটগুলোতে কাজ পাওয়া যায়।

অনুবাদ
ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন।

অনলাইন টিউটর
কোনো বিষয়ে যদি আপনার পারদর্শিতা থাকে, তবে অনলাইনে সে বিষয়ে শিক্ষা দিতে পারেন। অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে ওয়েবিনার পরিচালক হিসেবে অনলাইন সেশন পরিচালনা করতে পারেন। দক্ষতা বাড়লে এ ক্ষেত্র থেকে অনেক আয় করার সুযোগ আছে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম
ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।

ওয়েব ডিজাইন
এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিপ্রেমী নন। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা ও হালনাগাদের জন্যও ওয়েব ডিজাইনারকে দরকার পড়ে। ফলে ডিজাইনারকে বসে থাকতে হয় না। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে।

কনটেন্ট রাইটিং
যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।

ব্লগিং
অনেকে শখ করে অনেক বিষয়ে লেখেন। কিন্তু শখের বিষয়টি যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। তবে ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে রাতারাতি আয় আসবে না। এ জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়।

ইউটিউব
যাঁরা ব্লগ লিখে আয় করতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরা ক্যামেরার সাহায্য নিয়ে ভিডিও থেকে আয় করতে পারেন। এ জন্য অবশ্য সৃজনশীল আর ভালো সম্পাদনা জানতে হবে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন, তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। বিষয়টি অনেকটাই ব্লগের মতো। তবে এ ক্ষেত্রে কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। প্রতি হাজার ভিউয়ের হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন।

পিটিসি
অনেক ওয়েবসাইট আছে, যাতে রাখা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে। এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। প্রকল্প শুরুর আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো বেশির ভাগ ভুয়া হয়। তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কি না। অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন।

ডেটা এন্ট্রি
অনলাইনে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাঁদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তাঁরা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাঁদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তাঁরা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।

নানা পরিকল্পনা রয়েছে ১৬ বছরে সিসিমপুর



১৬ বছরে সিসিমপুর, রয়েছে নানা পরিকল্পনা।হালুম, টুকটুকি, ইকরি কিংবা শিকু। আমাদের দেশের শিশুদের কাছে নামগুলো অতি পরিচিত এবং বেশ প্রিয়। বলা হচ্ছে জনপ্রিয় শিশুতোষ সিরিজ সিসিমপুরের কথা।
শিশুদের শেখাকে আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য করার লক্ষ্য নিয়ে ‘সিসিমপুর’ নামে টেলিভিশন অনুষ্ঠানটির যাত্রা হয়েছিল ২০০৫ সালের এই দিনে (১৫ এপ্রিল)। সে হিসেবে ১৫ পেরিয়ে আজ সিসিমপুর টিম পা রাখল ১৬ বছরে।
১৫ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যকে সামনে রেখে। সেই সঙ্গে সিসিমপুরের লক্ষ্য শিশুর পিতা-মাতা ও শিক্ষকরাও। আনন্দ আর খেলার ছলে সিসিমপুর ভূমিকা রেখে চলেছে শিশুর সামগ্রিক বিকাশে।সিসিমপুর তার টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও মুদ্রিত বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে শিশুকে বর্ণ চেনা, শব্দ থেকে বর্ণ চিহ্নিত করা, বর্ণ দিয়ে শব্দ মেলানো, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি করতে সাহায্য করে।বর্তমানে সিসিমপুরের ১২তম সিজনের প্রচার চলছে। শুরু থেকে প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা দেশের প্রায় এক কোটি দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল, যেমন– আরটিভি, চ্যানেল আই, দেশটিভি ও চ্যানেল নাইনেও প্রচার হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। বর্তমানে বিটিভির পাশাপাশি অনুষ্ঠানটি প্রচার করছে দুরন্ত টিভি।নিউ ইয়র্কভিত্তিক সিসেমি স্ট্রিট নামক শিক্ষামূলক টেলিভিশন-ধারাবাহিকের যৌথ প্রযোজনা সিসিমপুরের কার্যক্রম বাংলাদেশে পরিচালনা করছে সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ।সিসিমপুরের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ ১৬ বছরে পা রেখে আমরা পরিকল্পনা করছি এই শিক্ষা প্রয়াসকে কীভাবে বাংলাদেশের সব শিশুর কাছে আরও দ্রুতলয়ে পৌঁছে দেওয়া যায়। সেই ভাবনা থেকে খুব শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সিসিমপুর-ই-প্লাটফর্ম। মোবাইল অ্যাপভিত্তিক এই প্লাটফর্মে শিশুদের জন্য থাকবে নানা ধরনের আয়োজন। যেখানে শিশুরা সিসিমপুরের ভিডিও দেখাসহ, গল্প পড়া, ছবি আঁকা, গেম খেলা ইত্যাদি নানা রকম কাজ করার সুযোগ পাবে।’২০১০ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্ট পরিচালিত একটি জরিপে সিসিমপুর শিশুতোষ অনুষ্ঠান হিসেবে শীর্ষস্থানীয় এবং সামগ্রিকভাবে তৃতীয় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হয়েছে। ২০০৭ সালে পরিচালিত এসিপিআরের একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু সিসিমপুর অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দেখে, তারা তাদের চেয়ে এক বছরের বড় শিশু, যারা সিসিমপুর দেখে না, তাদের চেয়ে ভাষা ও বর্ণ, গণিত এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়ে বেশি দক্ষতা প্রদর্শন করেছে।সিসিমপুরকে নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পনার কোনও শেষ নেই। মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ‘সারা দেশে সিসিমপুর নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছে আছে আমাদের। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সিসিমপুর মেলার আয়োজন করা, লাইভ-শো করা, গল্পের বই সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া। আরও টিভি চ্যানেলে সিসিমপুর প্রচার করার পরিকল্পনা রয়েছে।’’সিসিমপুরের মূলমন্ত্র: পৃথিবীটা দেখছি, প্রতিদিন শিখছি। সম্প্রচারের ১৫ বছর পূর্তি এবং ১৬তম বছরে পদার্পণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বটি সিসিমপুর ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত হয়েছে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। একই পর্ব বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে বিটিভিতে।

Ads Auto


Smartphones

[Smartphones][recentbylabel]

Ads Auto

Photography

[Photography][recentbylabel2]

Economy

[Economy][recentbylabel2]